সৈয়দপুর ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাইলস্টোনের যোদ্ধা শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ী নীলফামারীতে শোকের মাতম

ফজল কাদির
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫ ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফজল কাদির: রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীকে প্রাণে বাঁচিয়ে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ীতে এখন শোকের মাতম। তিনি ছিলেন নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়া গ্রামের মুহিদ চৌধুরীর মেয়ে। মুহীদ চৌধুরী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খালাত ভাই । তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন।

মেহরিন রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি) ছিলেন। স¤প্রতি তিনি নিজ গ্রামের বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজকে মাইলস্টোনের মতো গড়ে তোলার স্বপ্নে এক মাস আগে ওই স্কুলের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন তার স্বামী মনসুর হেলাল। স্ত্রীকে হারিয়ে তিনি শোকে পাথর।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বাদ জোহর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে গ্রামের বাড়ি জলঢাকার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ায় বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

সোমবার (২১ জুলাই) প্রতিদিনের মতো স্কুল শেষ করে শিশুদের হাতে ধরে গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুলের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয় এবং মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দগ্ধ হন মেহরিন। কিন্তু তখনো তিনি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিলেন। পরে তাকে দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। রাত সাড়ে সাতটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বার্ন ইউনিট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জলঢাকা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সৈয়দ আলী বলেন, মেহরিন খুবই মেধাবী ও সজ্জন ও পরপোকারী ছিলেন। তার এই আত্বদানে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :




মাইলস্টোনের যোদ্ধা শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ী নীলফামারীতে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

ফজল কাদির: রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীকে প্রাণে বাঁচিয়ে না ফেরার দেশে চলে যাওয়া শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরীর গ্রামের বাড়ীতে এখন শোকের মাতম। তিনি ছিলেন নীলফামারীর জলঢাকা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়া গ্রামের মুহিদ চৌধুরীর মেয়ে। মুহীদ চৌধুরী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খালাত ভাই । তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন।

মেহরিন রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা ভার্সনের কো-অর্ডিনেটর (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি) ছিলেন। স¤প্রতি তিনি নিজ গ্রামের বগুলাগাড়ি স্কুল অ্যান্ড কলেজকে মাইলস্টোনের মতো গড়ে তোলার স্বপ্নে এক মাস আগে ওই স্কুলের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমনটাই জানিয়েছেন তার স্বামী মনসুর হেলাল। স্ত্রীকে হারিয়ে তিনি শোকে পাথর।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বাদ জোহর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে গ্রামের বাড়ি জলঢাকার বগুলাগাড়ি চৌধুরীপাড়ায় বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

সোমবার (২১ জুলাই) প্রতিদিনের মতো স্কুল শেষ করে শিশুদের হাতে ধরে গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুলের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয় এবং মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দগ্ধ হন মেহরিন। কিন্তু তখনো তিনি শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিলেন। পরে তাকে দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। রাত সাড়ে সাতটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। বার্ন ইউনিট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জলঢাকা উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি সৈয়দ আলী বলেন, মেহরিন খুবই মেধাবী ও সজ্জন ও পরপোকারী ছিলেন। তার এই আত্বদানে গভীর শোক প্রকাশ করছি।