সৈয়দপুর ০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে দিনে ঝলমলে রোঁদ, রাতে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ

ফজল কাদির
  • আপডেট সময় : ০১:১৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৬২ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফজল কাদির: নীলফামারীর আকাশে দিনে ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও রাতে বইছে মৃদ্যু শৈত্য প্রাবাহ। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। সূর্য ডোবার পরেই ঠান্ডার প্রকোপ শুরু হয়। তাই শীতার্ত তাড়াতাড়ি মানুষ ঘরমুখো হচ্ছে।

বেশে কয়েকদিন পর বুধবার দিনে ঝলমলে রোদ দেখা মিললেও রাতের নেমে আসে অসহনীয় হিম শীতল ঠান্ডা। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। শুক্রবার পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

সৈয়দপুর বিমান বন্দরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ০৯.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বিকাল ৩টায় ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। তবে সকাল ৮টা থেকে আকাশে ঝলমলে রোঁদ উঁকি দেওয়ায় শীতার্তদের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে। আগামী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহ স্থায়ী হতে পারে। তাপমাত্র উঠানামার কারণে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে রুগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীতে কাতর হয়ে পরেছে। রাতে রাস্তাঘাট, বাজারে লোকজনের উপস্থিতি কম থাকছে। দিনে স্বস্তির রোদ থাকায় কৃষিজমিতে শ্রমজীবি মানুষকে বেশ আনন্দে কাজ করতে দেখা গেছে। তীব্র ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে আলু খেতে ছত্রাকজনিত লেট ব্রাইট রোগে আক্রান্ত হয়ে সবুজে ভরা আলুর গাছ বিবর্ণ ও পঁেচ যাচ্ছে। নীলফামারীর আলু চাষী শরিফুল ইসলাম জানান, ছত্রাকরোধে অনেক ঔষধ প্রয়োগ করে আমার আলু নষ্ট গেছে। এ কারণে এবারে বীজ আলু ষ্টোরে রাখতে পারব না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


নীলফামারীতে দিনে ঝলমলে রোঁদ, রাতে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ

আপডেট সময় : ০১:১৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ফজল কাদির: নীলফামারীর আকাশে দিনে ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও রাতে বইছে মৃদ্যু শৈত্য প্রাবাহ। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। সূর্য ডোবার পরেই ঠান্ডার প্রকোপ শুরু হয়। তাই শীতার্ত তাড়াতাড়ি মানুষ ঘরমুখো হচ্ছে।

বেশে কয়েকদিন পর বুধবার দিনে ঝলমলে রোদ দেখা মিললেও রাতের নেমে আসে অসহনীয় হিম শীতল ঠান্ডা। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। শুক্রবার পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

সৈয়দপুর বিমান বন্দরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ০৯.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বিকাল ৩টায় ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হয়েছে মৃদ্যু শৈত্য প্রবাহ। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। তবে সকাল ৮টা থেকে আকাশে ঝলমলে রোঁদ উঁকি দেওয়ায় শীতার্তদের মাঝে স্বস্তি নেমে আসে। আগামী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত শৈত্য প্রবাহ স্থায়ী হতে পারে। তাপমাত্র উঠানামার কারণে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে রুগীর সংখ্যা বাড়ছে। শিশু ও বৃদ্ধরা শীতে কাতর হয়ে পরেছে। রাতে রাস্তাঘাট, বাজারে লোকজনের উপস্থিতি কম থাকছে। দিনে স্বস্তির রোদ থাকায় কৃষিজমিতে শ্রমজীবি মানুষকে বেশ আনন্দে কাজ করতে দেখা গেছে। তীব্র ঠান্ডা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে আলু খেতে ছত্রাকজনিত লেট ব্রাইট রোগে আক্রান্ত হয়ে সবুজে ভরা আলুর গাছ বিবর্ণ ও পঁেচ যাচ্ছে। নীলফামারীর আলু চাষী শরিফুল ইসলাম জানান, ছত্রাকরোধে অনেক ঔষধ প্রয়োগ করে আমার আলু নষ্ট গেছে। এ কারণে এবারে বীজ আলু ষ্টোরে রাখতে পারব না।