সৈয়দপুর ১০:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব, ঘরবাড়ি ও ফসল হানি

ফজল কাদির
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার তিনটি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে শনিবার মধ্যরাতে স্মরণকালের শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার মধ্যরাতে নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তান্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির ছোবলে ঘরবাড়ি এবং উঠটি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও চাপানি, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমমুলবাড়ী ইউনিয়নের উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এ সময় স্মরণকালের শিলাবৃষ্টিও হয়। এতে প্রায় ৪৯৩ হেক্টর ভুট্টা, মরিচ, কলা ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মুহূর্তেই চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যায় এসব ফসল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জাকির হোসেন এই ক্ষতিটিকে প্রাথমিক জরিপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ ফুটো হয়ে গেছে। জেলার ত্রাণ ও পূনর্বাসন দপ্তরে বাড়ি-ঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আসেনি। ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের ৭০ বছর পেরিয়ে যাওয়া শান্তিরাণী জানান, জীবনে বাবা এরকম শিলাবৃষ্টি দেখেনি। আমার থাকার টিনের ঘর দুটি শিলাবৃষ্টি রাখাতে সম্পূর্ণ ফুটো হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


নীলফামারীতে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব, ঘরবাড়ি ও ফসল হানি

আপডেট সময় : ০১:৪০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার তিনটি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে শনিবার মধ্যরাতে স্মরণকালের শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার মধ্যরাতে নীলফামারী জেলার ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীর তান্ডব ও স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির ছোবলে ঘরবাড়ি এবং উঠটি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ডিমলা উপজেলার ডিমলা সদর, পূর্ব ছাতনাই ও চাপানি, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি এবং জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমমুলবাড়ী ইউনিয়নের উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। এ সময় স্মরণকালের শিলাবৃষ্টিও হয়। এতে প্রায় ৪৯৩ হেক্টর ভুট্টা, মরিচ, কলা ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়। মুহূর্তেই চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যায় এসব ফসল।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জাকির হোসেন এই ক্ষতিটিকে প্রাথমিক জরিপ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। চূড়ান্ত রিপোর্ট আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্মরণকালের শিলাবৃষ্টির আঘাতে প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ ফুটো হয়ে গেছে। জেলার ত্রাণ ও পূনর্বাসন দপ্তরে বাড়ি-ঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো আসেনি। ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের ৭০ বছর পেরিয়ে যাওয়া শান্তিরাণী জানান, জীবনে বাবা এরকম শিলাবৃষ্টি দেখেনি। আমার থাকার টিনের ঘর দুটি শিলাবৃষ্টি রাখাতে সম্পূর্ণ ফুটো হয়ে গেছে।