সৈয়দপুর ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুড়ি তিস্তার জলাধার খননে বাঁধা ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফজল কাদির
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৭৩ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফজল কাদির: নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার সীমানায় অবস্থিত বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের জলধার খননে বাধা, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জলঢাকা থানায় পৃথক দটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।শু

ক্রবার (২জানুয়ারী) রাতে মামলা নম্বর ৪ এবং শনিবার (৩ জানুয়ারী) সকালে মামলা নম্বর ৫ দায়ের করা মামলা দুটির বাদী হয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জলঢাকা কার্যালয়ের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী। দুটি পৃথক মামলায়ধারা আনা হয়েছে ১৪৩ ৪৪৮। একটি মামলায় ১৯ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৩০০ জন ও অপর মামলায় নামীয় ২২ জন এবং অজ্ঞাত ৩৫০ জন সহ মোট ৬৯১ জনকে আসামী করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম।

মামলায় বলা হয় বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের জলাধার খননটি হলো সরকারের উন্নয়নমুলক কাজ। ওই কাজে বাধা দিয়ে অবৈধভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখলকারীরা বুড়ি তিস্তা নদী পুনঃখনন প্রকল্পকের সংরক্ষিত এলাকায় ৩১ ডিসেম্বর/২০২৫ ও পহেলা জানুয়ারী/২০২৬ দুইদফায় হামলা চালায়। তাদে হামলায় সংরক্ষিত এলাকার আনছার ক্যাম্প এবং ঠিকাদারী কাজে রক্ষিত যন্ত্রপাতি ভাংচুর ও লুটপাট করে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক উত্তেজনা নয়; বরং পূর্বপরিকল্পিত ও সংগঠিত হামলা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানান, মামলা দুটির আসামীদের গ্রেফতার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে আব্দুল আলিম সাংবাদিকদের জানান, এলাকাবাসী তাদের বাপদাদা আমলের তিন ফসলি জমি রক্ষা করতে চেস্টা করছে। আলিম বলেন, ডিমলা উপজেলার কুঠিরডাঙ্গা, রামডাঙ্গা, পচারহাট ও পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা ও খারিজা গোলনার পাঁচটি মৌজায় প্রায় ৯৫৭ একর তিন ফসলি জমি এবং ১৬০ একর জমিতে জনবসতি ও সরকারি স্থাপনা রয়েছে। এখানে কৃষকেরা ফসল উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ১৯৬৮ সালে তৎকালীন সরকারের বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতায় জলাধার নির্মাণের পরিকল্পনায় পাঁচটি গ্রামের ১ হাজার ২১৭ একর জমি হুকুম দখলে (মৌখিক সম্মতি) অধিগ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।পরবর্তী সময়ে সেটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকার জমি অধিগ্রহণ করেনি। এর পর থেকে ওই জমি মালিকানা সূত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগ করে আসছেন। ২০১০ সালে পাউবো কর্তৃপক্ষ এসব জমির মালিকানা দাবি করে ৪৯২ দশমিক ৭১ হেক্টর ব্যক্তিমালিকানা জমি মেসার্স তুষুকা নামক ঠিকাদারি রিসোর্স লিমিটেডকে ইজারা দেয়। তুষুকা কর্তৃপক্ষ ওই জমিতে কার্যক্রম শুরু করলে এলাকাবাসী বাধা দেন। পরে জমির মালিকেরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়। এরপর উচ্চ আদালতের আদেশে সেই জমি কৃষকেরা ভোগদখল করে আসছেন। জমির মালিকরা আরও জানান, স¤প্রতি পাউবো কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব তিন ফসলি জমিতে উঁচু বাঁধ দিয়ে জলাধার খননের কাজ করার চেস্টা করে। সেখানে প্রায় ৯৫৭ একর কৃষিজমি জলাধারের আওতায় পড়ে। ওই জমিতে কৃষকেরা এখন যেতে পারছেন না। পাউবো ও ঠিকাদারের লোকজন কৃষকদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। জমির দখল ছাড়তে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন। খননকাজের প্রতিবাদ করায় পাউবো কর্তৃপক্ষ ও ৭০০ কৃষকের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। অথচ জমির মালিক ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী তাঁদের বৈধ কৃষিজমি অবৈধ দখলে নিয়ে জলাধার খনন করছে পাউবো। জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কোনো প্রক্রিয়া স¤পন্ন করা হয়নি।
নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাউবোর অধিগ্রহণ করা জমির সীমানা ও মালিকানা যাচাইয়ের পর অনুমোদন সাপেক্ষে সেখানে খননকাজ শুরু করা হয়েছে। ওই সকল জমি পানি উন্নয়নবোর্ডের নামে রের্কডকৃত। যার রাজস্ব পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতি বছর সরকারের ঘরে জমা দিয়ে আসছে। তিনি জানান বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের জলধার খনন সহ বেশ উন্নয়ন কাজের যে নক্সা করে কাজ শুরু করা হচ্ছিল। যা সম্পন্ন হলে এলাকার ৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত জমি যারা দাবি করছে সেটি সঠিক নয়। সে দিনের ঘটনায় প্রায়২ কোটি টাকা ক্ষতি করে হামলাকারীরা। এ জন্য জলঢাকা থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।#

শ্বশুরকে গাড়ীর নীচে পিষ্টের ঘটনায় জামাতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের
নীলফামারী প্রতিনিধি
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের দক্ষিণ দুড়াকুটি ঘোপপাড়া গ্রামে শুক্রবার জামাতা আবু তাহেরের গাড়ীর নীচে পিষ্ট হয়ে শ্বশুর এন্তাজুল(৬০) মারা যান। এ ঘটনায় নিহত এন্তাজুলের ছেলে মোখছেদুল বাদী হয়ে ৩ জানুয়ারী কিশোরগঞ্জ থানায় ভগ্নিপতি আবু তাহের সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৩। দন্ডবিধি ৩০২/৩৪।
অন্যান্য আসামীরা হলেন, আবু তাহের ১ম স্ত্রী মিষ্টি বেগম, ভাগিনা আব্দুল নুর ও হাফিজুল ইসলাম।
হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার পর প্রাইভেট কারটি জব্দ সহ জনতার হাতে আটক আবু তাহেরকে প্রেফতার করে আদালতে সোপোর্দ করেছে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, বাদীর বোন ও আসামী তাহেরের দ্বিতীয় স্ত্রী সাথী আক্তার রেজেকাকে(২২) জোড়করে গাড়ীতে বাড়ী নিয়ে যাওয়ার সময় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানান, দ্রুতই অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


বুড়ি তিস্তার জলাধার খননে বাঁধা ও লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ৭০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১২:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ফজল কাদির: নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার সীমানায় অবস্থিত বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের জলধার খননে বাধা, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জলঢাকা থানায় পৃথক দটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।শু

ক্রবার (২জানুয়ারী) রাতে মামলা নম্বর ৪ এবং শনিবার (৩ জানুয়ারী) সকালে মামলা নম্বর ৫ দায়ের করা মামলা দুটির বাদী হয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জলঢাকা কার্যালয়ের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জুলফিকার আলী। দুটি পৃথক মামলায়ধারা আনা হয়েছে ১৪৩ ৪৪৮। একটি মামলায় ১৯ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৩০০ জন ও অপর মামলায় নামীয় ২২ জন এবং অজ্ঞাত ৩৫০ জন সহ মোট ৬৯১ জনকে আসামী করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম।

মামলায় বলা হয় বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের জলাধার খননটি হলো সরকারের উন্নয়নমুলক কাজ। ওই কাজে বাধা দিয়ে অবৈধভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখলকারীরা বুড়ি তিস্তা নদী পুনঃখনন প্রকল্পকের সংরক্ষিত এলাকায় ৩১ ডিসেম্বর/২০২৫ ও পহেলা জানুয়ারী/২০২৬ দুইদফায় হামলা চালায়। তাদে হামলায় সংরক্ষিত এলাকার আনছার ক্যাম্প এবং ঠিকাদারী কাজে রক্ষিত যন্ত্রপাতি ভাংচুর ও লুটপাট করে। এটি কোনো তাৎক্ষণিক উত্তেজনা নয়; বরং পূর্বপরিকল্পিত ও সংগঠিত হামলা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম জানান, মামলা দুটির আসামীদের গ্রেফতার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তাদের প্রতিনিধি হিসাবে আব্দুল আলিম সাংবাদিকদের জানান, এলাকাবাসী তাদের বাপদাদা আমলের তিন ফসলি জমি রক্ষা করতে চেস্টা করছে। আলিম বলেন, ডিমলা উপজেলার কুঠিরডাঙ্গা, রামডাঙ্গা, পচারহাট ও পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা ও খারিজা গোলনার পাঁচটি মৌজায় প্রায় ৯৫৭ একর তিন ফসলি জমি এবং ১৬০ একর জমিতে জনবসতি ও সরকারি স্থাপনা রয়েছে। এখানে কৃষকেরা ফসল উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ১৯৬৮ সালে তৎকালীন সরকারের বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতায় জলাধার নির্মাণের পরিকল্পনায় পাঁচটি গ্রামের ১ হাজার ২১৭ একর জমি হুকুম দখলে (মৌখিক সম্মতি) অধিগ্রহণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।পরবর্তী সময়ে সেটি বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকার জমি অধিগ্রহণ করেনি। এর পর থেকে ওই জমি মালিকানা সূত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগ করে আসছেন। ২০১০ সালে পাউবো কর্তৃপক্ষ এসব জমির মালিকানা দাবি করে ৪৯২ দশমিক ৭১ হেক্টর ব্যক্তিমালিকানা জমি মেসার্স তুষুকা নামক ঠিকাদারি রিসোর্স লিমিটেডকে ইজারা দেয়। তুষুকা কর্তৃপক্ষ ওই জমিতে কার্যক্রম শুরু করলে এলাকাবাসী বাধা দেন। পরে জমির মালিকেরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়। এরপর উচ্চ আদালতের আদেশে সেই জমি কৃষকেরা ভোগদখল করে আসছেন। জমির মালিকরা আরও জানান, স¤প্রতি পাউবো কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব তিন ফসলি জমিতে উঁচু বাঁধ দিয়ে জলাধার খননের কাজ করার চেস্টা করে। সেখানে প্রায় ৯৫৭ একর কৃষিজমি জলাধারের আওতায় পড়ে। ওই জমিতে কৃষকেরা এখন যেতে পারছেন না। পাউবো ও ঠিকাদারের লোকজন কৃষকদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। জমির দখল ছাড়তে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন। খননকাজের প্রতিবাদ করায় পাউবো কর্তৃপক্ষ ও ৭০০ কৃষকের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। অথচ জমির মালিক ও স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী তাঁদের বৈধ কৃষিজমি অবৈধ দখলে নিয়ে জলাধার খনন করছে পাউবো। জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কোনো প্রক্রিয়া স¤পন্ন করা হয়নি।
নীলফামারী পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পাউবোর অধিগ্রহণ করা জমির সীমানা ও মালিকানা যাচাইয়ের পর অনুমোদন সাপেক্ষে সেখানে খননকাজ শুরু করা হয়েছে। ওই সকল জমি পানি উন্নয়নবোর্ডের নামে রের্কডকৃত। যার রাজস্ব পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতি বছর সরকারের ঘরে জমা দিয়ে আসছে। তিনি জানান বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্পের জলধার খনন সহ বেশ উন্নয়ন কাজের যে নক্সা করে কাজ শুরু করা হচ্ছিল। যা সম্পন্ন হলে এলাকার ৫ হাজার কৃষক উপকৃত হবে। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত জমি যারা দাবি করছে সেটি সঠিক নয়। সে দিনের ঘটনায় প্রায়২ কোটি টাকা ক্ষতি করে হামলাকারীরা। এ জন্য জলঢাকা থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।#

শ্বশুরকে গাড়ীর নীচে পিষ্টের ঘটনায় জামাতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের
নীলফামারী প্রতিনিধি
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলি ইউনিয়নের দক্ষিণ দুড়াকুটি ঘোপপাড়া গ্রামে শুক্রবার জামাতা আবু তাহেরের গাড়ীর নীচে পিষ্ট হয়ে শ্বশুর এন্তাজুল(৬০) মারা যান। এ ঘটনায় নিহত এন্তাজুলের ছেলে মোখছেদুল বাদী হয়ে ৩ জানুয়ারী কিশোরগঞ্জ থানায় ভগ্নিপতি আবু তাহের সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৩। দন্ডবিধি ৩০২/৩৪।
অন্যান্য আসামীরা হলেন, আবু তাহের ১ম স্ত্রী মিষ্টি বেগম, ভাগিনা আব্দুল নুর ও হাফিজুল ইসলাম।
হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ার পর প্রাইভেট কারটি জব্দ সহ জনতার হাতে আটক আবু তাহেরকে প্রেফতার করে আদালতে সোপোর্দ করেছে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ।

উল্লেখ্য যে, বাদীর বোন ও আসামী তাহেরের দ্বিতীয় স্ত্রী সাথী আক্তার রেজেকাকে(২২) জোড়করে গাড়ীতে বাড়ী নিয়ে যাওয়ার সময় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানান, দ্রুতই অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।