সৈয়দপুর ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মধ্যরাতের শিলাবৃষ্টিতে নীফামারীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ফজল কাদির
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: নীলফামারী জেলার ডোমার ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ভুট্টা, মরিচ, আলু, ধান ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকরা। অনেক স্থানে জমির ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।

এদিকে, ঝড়ো বাতাসসহ শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় বহু বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। অন্ধকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। অনেকে ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েন। শুধু বসতবাড়িই নয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি পূজা মণ্ডপও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো দপ্তর থেকে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মঞ্জুর রহমান জানান, মাঠ পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


মধ্যরাতের শিলাবৃষ্টিতে নীফামারীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৪:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: নীলফামারী জেলার ডোমার ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া এই শিলাবৃষ্টিতে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিলাবৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠের ভুট্টা, মরিচ, আলু, ধান ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকরা। অনেক স্থানে জমির ফসল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।

এদিকে, ঝড়ো বাতাসসহ শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় বহু বসতবাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গেছে। অন্ধকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। অনেকে ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েন। শুধু বসতবাড়িই নয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি পূজা মণ্ডপও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো দপ্তর থেকে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মঞ্জুর রহমান জানান, মাঠ পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের চেষ্টা চলছে।