সৈয়দপুর ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আজও অন্ধকারে জেল হত্যার প্রকৃত ইতিহাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২ ১৪ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক রিপোর্টঃ বাঙালি জাতির কলঙ্কের ইতিহাসে গাঁথা একটি দিন ৩ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, জাতীয় ৪ নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর মোশতাক সরকার গ্রেফতার করে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রিসভার দুই সদস্য, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে।

শুধু গ্রেফতার করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। জাতিকে রাজনৈতিকভাবে মেধাহীন ও নেতৃত্ব শূন্য করতে, ১৯৭৫ সালের ২ নভেম্বর রাতের আঁধারে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় ৪ নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,জেল হত্যাকাণ্ডের অনেক রহস্য উন্মোচন হয়নি আজও। তাই নতুন প্রজন্মের জন্য এ রহস্য খুঁজে বের করতে হবে।

কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায়, বর্বরোচিত এমন হত্যাকাণ্ড, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বলে জানান আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা আমির হোসেন আমু। রেডিও তেহরানকে তিনি বলেন, জাতীয় ৪ নেতা হত্যাকাণ্ড ছিল, স্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেক।

আজও জেল হত্যার প্রকৃত ইতিহাস অন্ধকারে জানিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করে নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় চার নেতার পরিবারের সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


আজও অন্ধকারে জেল হত্যার প্রকৃত ইতিহাস

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ নভেম্বর ২০২২

ডেস্ক রিপোর্টঃ বাঙালি জাতির কলঙ্কের ইতিহাসে গাঁথা একটি দিন ৩ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, জাতীয় ৪ নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর মোশতাক সরকার গ্রেফতার করে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রিসভার দুই সদস্য, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে।

শুধু গ্রেফতার করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। জাতিকে রাজনৈতিকভাবে মেধাহীন ও নেতৃত্ব শূন্য করতে, ১৯৭৫ সালের ২ নভেম্বর রাতের আঁধারে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় ৪ নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন,জেল হত্যাকাণ্ডের অনেক রহস্য উন্মোচন হয়নি আজও। তাই নতুন প্রজন্মের জন্য এ রহস্য খুঁজে বের করতে হবে।

কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায়, বর্বরোচিত এমন হত্যাকাণ্ড, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বলে জানান আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা আমির হোসেন আমু। রেডিও তেহরানকে তিনি বলেন, জাতীয় ৪ নেতা হত্যাকাণ্ড ছিল, স্বাধীনতার কফিনে শেষ পেরেক।

আজও জেল হত্যার প্রকৃত ইতিহাস অন্ধকারে জানিয়ে তদন্ত কমিশন গঠন করে নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় চার নেতার পরিবারের সদস্যরা।