সৈয়দপুর ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কেমন হবে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম?

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩ ৭২ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক রিপোর্টঃ এবছর কোরবানির গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং খাসি ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরি ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়া এ দামে কিনবেন ট্যানারি মালিকরা। কিন্তু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কত টাকায় চামড়া কিনবেন এ নিয়ে প্রতিবারই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

লবণ ছাড়া চামড়া কেমন দামে কিনবেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা তার একটা ধারণা দিয়েছেন পুরান ঢাকার পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিনস মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএইচএসএমএ) এর সাধারণ সম্পাদক হাজি মোঃ টিপু সুলতান।

তিনি বলেন, লবণযুক্ত চামড়া দাম সরকার বেঁধে দিয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অবশ্যই এর চেয়ে কম রেটে কাঁচা চামড়া কিনতে হবে। কারন মাঝারি আকারের একটি গরুর চামড়া সংরক্ষণে ৮ থেকে ৯ কেজি লবণ লাগে। এর সঙ্গে লেবার কস্ট, গোডাউন ভাড়া আছে।

এবারে কোরবানির একটি গরুর চামড়া কত টাকা হওয়া উচিত জানতে চাইলে টিপু সুলতান বলেন, এটা সাইজের উপর নির্ভয় করে। যেমন, বর্তমান বাজারে এক লাখ বা তার নিচে দামের গরু ছোট সাইজ বলা যায়। অর্থাৎ এসব গরুর চামড়া ২০ থেকে ২২ বর্গফুট হবে। এই আকারের লবণ ছাড়া কাঁচা চামড়া ৫০০ টাকায় কিনতে হবে। এক লাখের উপরে দেড় লাখ পর্যন্ত মাঝারি সাইজের গরু। এই আকারের গরুর চামড়ার দাম হবে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। আর দুই লাখ বা তার উপরের গরু বড় আকারের চামড়ার দাম ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। এখন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বাজার বুঝে কিনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আড়তে দ্রুত চামড়া আনার বিষয়টিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ গরু কোরবানির পর যত দ্রুত চামড়া আড়তে আনবেন তত বেশি দাম ভালো থাকবে, দামও বেশি পাবে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, আমাদের লক্ষ্য এবার গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া সব মিলিয়ে এক কোটি পিস চামড়া সংগ্রহ করা। ট্যানারি লবণযুক্ত চামড়া বেশি কিনে থাকে। তবে চামড়ার বড় অংশ কোরবানির ঈদে যোগান হওয়ায় এ সময় লাবণ ছাড়া কাঁচা চামড়াও সংগ্রহ করি। কালকেও চামড়া কিনব। আকার ও মান বেধে প্রতি পিস কাঁচা চামড়া ৬০০ থেকে এক হাজার টাকায় কেনা হবে। আর মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এটাকে সমন্বয় করেই কিনবে।

এর আগে গত ২৫ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ট্যানারি মালিক, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকায় ৩ টাকা, বাইরে ৫ টাকা বাড়িয়ে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছিলেন, লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় গত বছরের চেয়ে ৩ টাকা, ঢাকার বাইরে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর খাসি ও বকরির চামড়ার দাম গতবারের মতো রাখা হয়েছে।

এর আগের বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা বর্গফুট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


কেমন হবে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম?

আপডেট সময় : ০৪:০৬:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্টঃ এবছর কোরবানির গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুট ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং খাসি ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরি ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করেছে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়া এ দামে কিনবেন ট্যানারি মালিকরা। কিন্তু মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কত টাকায় চামড়া কিনবেন এ নিয়ে প্রতিবারই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

লবণ ছাড়া চামড়া কেমন দামে কিনবেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা তার একটা ধারণা দিয়েছেন পুরান ঢাকার পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিনস মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএইচএসএমএ) এর সাধারণ সম্পাদক হাজি মোঃ টিপু সুলতান।

তিনি বলেন, লবণযুক্ত চামড়া দাম সরকার বেঁধে দিয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের অবশ্যই এর চেয়ে কম রেটে কাঁচা চামড়া কিনতে হবে। কারন মাঝারি আকারের একটি গরুর চামড়া সংরক্ষণে ৮ থেকে ৯ কেজি লবণ লাগে। এর সঙ্গে লেবার কস্ট, গোডাউন ভাড়া আছে।

এবারে কোরবানির একটি গরুর চামড়া কত টাকা হওয়া উচিত জানতে চাইলে টিপু সুলতান বলেন, এটা সাইজের উপর নির্ভয় করে। যেমন, বর্তমান বাজারে এক লাখ বা তার নিচে দামের গরু ছোট সাইজ বলা যায়। অর্থাৎ এসব গরুর চামড়া ২০ থেকে ২২ বর্গফুট হবে। এই আকারের লবণ ছাড়া কাঁচা চামড়া ৫০০ টাকায় কিনতে হবে। এক লাখের উপরে দেড় লাখ পর্যন্ত মাঝারি সাইজের গরু। এই আকারের গরুর চামড়ার দাম হবে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। আর দুই লাখ বা তার উপরের গরু বড় আকারের চামড়ার দাম ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। এখন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বাজার বুঝে কিনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আড়তে দ্রুত চামড়া আনার বিষয়টিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ গরু কোরবানির পর যত দ্রুত চামড়া আড়তে আনবেন তত বেশি দাম ভালো থাকবে, দামও বেশি পাবে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, আমাদের লক্ষ্য এবার গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া সব মিলিয়ে এক কোটি পিস চামড়া সংগ্রহ করা। ট্যানারি লবণযুক্ত চামড়া বেশি কিনে থাকে। তবে চামড়ার বড় অংশ কোরবানির ঈদে যোগান হওয়ায় এ সময় লাবণ ছাড়া কাঁচা চামড়াও সংগ্রহ করি। কালকেও চামড়া কিনব। আকার ও মান বেধে প্রতি পিস কাঁচা চামড়া ৬০০ থেকে এক হাজার টাকায় কেনা হবে। আর মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এটাকে সমন্বয় করেই কিনবে।

এর আগে গত ২৫ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ট্যানারি মালিক, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ঢাকায় ৩ টাকা, বাইরে ৫ টাকা বাড়িয়ে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছিলেন, লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় গত বছরের চেয়ে ৩ টাকা, ঢাকার বাইরে ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর খাসি ও বকরির চামড়ার দাম গতবারের মতো রাখা হয়েছে।

এর আগের বছর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা বর্গফুট।