সৈয়দপুর ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খানসামায় সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাইয়ের ছুড়িকাঘাতে বড় ভাই সেলিম শাহ্ গুরুতর জখম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১৫ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় সাজ্জাদ শাহী নামের সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাইয়ের আঘাতে ব্যবসায়ী বড় ভাই সেলিম শাহ গুরুতর জখমের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বড়ভাই সেলিম শাহ্ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার রাতে উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের কাচিনীয়া বাজারে এই ঘটনা ঘটে৷ আহত বড় ভাই সেলিম শাহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং থানা পুলিশ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিয়ে কাচিনীয়া বাজারের আবুল ডাক্তার মোড়ের নরহরির ফলের দোকানের সামনে বড় ভাই সেলিম শাহ কে আটক করেন ছুটিতে বাড়িতে আসা সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাই সাজ্জাদ শাহী। এসময় দু’জনের মধ্যে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে ছোট ভাই সাজ্জাদ শাহী বড় ভাই সেলিম শাহয়ের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র স্প্রিং চায়না চাকু দিযে বড় ভাই সেলিম শাহয়ের কাঁধে ও ডান পায়ে আঘাত করেন। আহত অবস্থায় সেলিম শাহ কে প্রত্যক্ষদর্শীরা এম্বুলেন্সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় কাঁধে ০৮টি সেলাই এবং ডান পায়ের উরুতে ১৩টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে।
আহত সেলিম শাহ্ জানান, পারিবারিক জমিজমা বিষয়ে বাজারে কথা বলার এক পর্যায়ে আকস্মিকভাবে সাজ্জাদ তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র স্প্রিং চায়না চাকু দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ও পেটে ছুড়িকাঘাত করলে তা কাঁধে ও ডান পায়ে লাগে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার কঠিন শাস্তি দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযুক্ত ছোটভাই সেনা কর্মকর্তা সাজ্জাদ শাহীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে ব্যস্ত আছেন বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ চিত্তরঞ্জন রায় বলেন, ঘটনাটি শোনার পর রাতেই হাসপাতালে ও তার বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


খানসামায় সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাইয়ের ছুড়িকাঘাতে বড় ভাই সেলিম শাহ্ গুরুতর জখম

আপডেট সময় : ০৪:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় সাজ্জাদ শাহী নামের সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাইয়ের আঘাতে ব্যবসায়ী বড় ভাই সেলিম শাহ গুরুতর জখমের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বড়ভাই সেলিম শাহ্ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার রাতে উপজেলার ভাবকি ইউনিয়নের কাচিনীয়া বাজারে এই ঘটনা ঘটে৷ আহত বড় ভাই সেলিম শাহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং থানা পুলিশ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিয়ে কাচিনীয়া বাজারের আবুল ডাক্তার মোড়ের নরহরির ফলের দোকানের সামনে বড় ভাই সেলিম শাহ কে আটক করেন ছুটিতে বাড়িতে আসা সেনা কর্মকর্তা ছোট ভাই সাজ্জাদ শাহী। এসময় দু’জনের মধ্যে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে ছোট ভাই সাজ্জাদ শাহী বড় ভাই সেলিম শাহয়ের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র স্প্রিং চায়না চাকু দিযে বড় ভাই সেলিম শাহয়ের কাঁধে ও ডান পায়ে আঘাত করেন। আহত অবস্থায় সেলিম শাহ কে প্রত্যক্ষদর্শীরা এম্বুলেন্সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় কাঁধে ০৮টি সেলাই এবং ডান পায়ের উরুতে ১৩টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে।
আহত সেলিম শাহ্ জানান, পারিবারিক জমিজমা বিষয়ে বাজারে কথা বলার এক পর্যায়ে আকস্মিকভাবে সাজ্জাদ তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র স্প্রিং চায়না চাকু দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ও পেটে ছুড়িকাঘাত করলে তা কাঁধে ও ডান পায়ে লাগে। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় এবং স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার কঠিন শাস্তি দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযুক্ত ছোটভাই সেনা কর্মকর্তা সাজ্জাদ শাহীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য না করে ব্যস্ত আছেন বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেন।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ চিত্তরঞ্জন রায় বলেন, ঘটনাটি শোনার পর রাতেই হাসপাতালে ও তার বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলার প্রস্তুতি চলছে।