সৈয়দপুর ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খানসামার কুমড়িয়া স্কুলে মানববন্ধনের ডাক, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও-ওসি

মো: নুরনবী ইসলাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩ ৩১ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ নুরনবী ইসলাম, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা বেগমকে  ওমরা হজ্ব পালনে বাধা প্রদান ও ছুটি মঞ্জুর করতে হয়রানির অভিযোগ এবং ছুটির বদলে আগস্ট মাস উপলক্ষে কাল ব্যাজ না পরায় শোকজ করায় প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোকছেদ আলীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনের ডাক দেন এলাকাবাসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ হাসান, ওসি চিত্তরঞ্জন রায় ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনজুরুল হক ঘটনাস্থলে এসে ছুটি মঞ্জুর করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনের উদ্দেশ্যে আসতে থাকে ভুক্তভোগী শিক্ষিকার পরিবারের সদস্য সহ এলাকার প্রায় শতাধিক ব্যক্তি। পরে পুলিশ এসে বিষয়টির সুরাহার আশ্বাস দিয়ে মানববন্ধন না করার অনুরোধ জানান। পরে ইউএনও, ওসি ও শিক্ষা কর্মকর্তা এসে প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারী শিক্ষকের সমঝোতা করে ওমরা হজ্ব পালনে ছুটির ব্যবস্থ করে দেন।

ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা বেগম জানান, পবিত্র ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রধান শিক্ষকের কাছে এ মাসের শুরুতে ছুটির আবেদন করি। কিন্তু তিনি ছুটি না দিয়ে তাল-বাহানা করে হয়রানি ও কালক্ষেপণ করে যাচ্ছে। আবার ছুটির বদলে তিনি নিজেও শোকের মাসে কাল ব্যাজ না পরে সেই একই অপরাধে আমাকে শোকজ করে।  এমতাবস্থায় ২৬ আগস্ট হজ্বের তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় পরিবারের সদস্য সহ এলাকার লোকজন মানববন্ধনের ডাক দেন। তবে ইউএনও, ওসি ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার স্যার এসে আমাকে আশস্ত করে ছুটির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় তারা আর মানববন্ধন করে নি।

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোকছেদ আলী বলেন, স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা খুবই কম। তারপরও ২/৩ দিনের ছুটি আমি দিতে পারি। কিন্তু বেশি দিনের ছুটি নিতে হলে কমিটির অনুমতি প্রয়োজন। কমিটির সভাপতি ঢাকায় থাকায় ছুটি মঞ্জুর করতে বিলম্ব হয়েছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ হাসান জানান, তাদের মধে ভুল বোঝাবোঝি ও সমঝোতার অভাবে এরকম উদ্ধৃতপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে এর সুরাহা করে দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


খানসামার কুমড়িয়া স্কুলে মানববন্ধনের ডাক, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও-ওসি

আপডেট সময় : ১১:৫০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

মোঃ নুরনবী ইসলাম, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা বেগমকে  ওমরা হজ্ব পালনে বাধা প্রদান ও ছুটি মঞ্জুর করতে হয়রানির অভিযোগ এবং ছুটির বদলে আগস্ট মাস উপলক্ষে কাল ব্যাজ না পরায় শোকজ করায় প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোকছেদ আলীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধনের ডাক দেন এলাকাবাসী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ হাসান, ওসি চিত্তরঞ্জন রায় ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনজুরুল হক ঘটনাস্থলে এসে ছুটি মঞ্জুর করে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার কুমড়িয়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে মানববন্ধনের উদ্দেশ্যে আসতে থাকে ভুক্তভোগী শিক্ষিকার পরিবারের সদস্য সহ এলাকার প্রায় শতাধিক ব্যক্তি। পরে পুলিশ এসে বিষয়টির সুরাহার আশ্বাস দিয়ে মানববন্ধন না করার অনুরোধ জানান। পরে ইউএনও, ওসি ও শিক্ষা কর্মকর্তা এসে প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারী শিক্ষকের সমঝোতা করে ওমরা হজ্ব পালনে ছুটির ব্যবস্থ করে দেন।

ভুক্তভোগী সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা বেগম জানান, পবিত্র ওমরা হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রধান শিক্ষকের কাছে এ মাসের শুরুতে ছুটির আবেদন করি। কিন্তু তিনি ছুটি না দিয়ে তাল-বাহানা করে হয়রানি ও কালক্ষেপণ করে যাচ্ছে। আবার ছুটির বদলে তিনি নিজেও শোকের মাসে কাল ব্যাজ না পরে সেই একই অপরাধে আমাকে শোকজ করে।  এমতাবস্থায় ২৬ আগস্ট হজ্বের তারিখ নির্ধারণ হওয়ায় পরিবারের সদস্য সহ এলাকার লোকজন মানববন্ধনের ডাক দেন। তবে ইউএনও, ওসি ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার স্যার এসে আমাকে আশস্ত করে ছুটির ব্যবস্থা করে দেওয়ায় তারা আর মানববন্ধন করে নি।

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মোকছেদ আলী বলেন, স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা খুবই কম। তারপরও ২/৩ দিনের ছুটি আমি দিতে পারি। কিন্তু বেশি দিনের ছুটি নিতে হলে কমিটির অনুমতি প্রয়োজন। কমিটির সভাপতি ঢাকায় থাকায় ছুটি মঞ্জুর করতে বিলম্ব হয়েছিল।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ হাসান জানান, তাদের মধে ভুল বোঝাবোঝি ও সমঝোতার অভাবে এরকম উদ্ধৃতপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে এর সুরাহা করে দিয়েছি।