সৈয়দপুর ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পঞ্চগড় বোদায় নৌকাডুবির স্পটে ব্রিজ নির্মাণের স্পট পরিদর্শনে প্রকৌশলীরা    

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২ ১৮ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। গতকাল শুক্রবার বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের করতোয়া নদীতে নৌ দুর্ঘটনাস্থলে ব্রিজ নির্মাণের স্পট পরিদর্শন করেছে এলজিইডির একটি প্রকৌশল দল।

এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ডিজাইন) মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতার বিভিন্ন বিষয় সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এছাড়াও ডিজাইন শাখার নির্বাহী পরিচালক তরুণ ব্যানার্জী, মো. আমিরুজ্জামান, ভাস্কর কান্তি, এবং গ্রামীণ সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ডেপুটি প্রকল্প পরিচালক মো. ফখরুল আলম, এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম আকন্দ, বোদা উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, মাড়েয়াবামনহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু আনছার মো. রেজাউল করিম শামীম, কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন পরিদর্শনে আসা প্রকৌশলীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন ও সার্বিক বিষয়ে জানতে চান।

এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুজ্জামান বলেন, করতোয়া নদীর ওপর ১১৮০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭ দশমিক ৩২ মিটার প্রস্থের ইংরেজি ওয়াই আকৃতির ব্রিজ নির্মাণের খসড়া লে আউট দেওয়া হয়েছে। এরপর অ্যালাইনমেন্ট এবং ডিজাইন করা হবে। ডিজাইন শেষে প্রাক্কলনের (ইস্টিমেট) পর টেন্ডার আহবান করা হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আনছার মো. রেজাউল করিম শামীম বলেন, নদীটি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট বড়শশী ও কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নকে বিচ্ছিন্ন করেছে। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি ব্রিজ নির্মাণ হোক। ব্রিজটি হলে বোদা ও দেবীগঞ্জের মানুষের যাতায়াতে সহজ হবে। ব্রিজের অভাবে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যসহ যানবাহনগুলোকে জেলা শহরের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে বোদা উপজেলার ৪৬, দেবীগঞ্জ উপজেলার ১৭, আটোয়ারীর দুই, পঞ্চগড় সদরের এক এবং ঠাকুরগাঁও সদরের তিনজন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৮, নারী ৩০ এবং শিশু ২১ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


পঞ্চগড় বোদায় নৌকাডুবির স্পটে ব্রিজ নির্মাণের স্পট পরিদর্শনে প্রকৌশলীরা    

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২

পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। গতকাল শুক্রবার বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের করতোয়া নদীতে নৌ দুর্ঘটনাস্থলে ব্রিজ নির্মাণের স্পট পরিদর্শন করেছে এলজিইডির একটি প্রকৌশল দল।

এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ডিজাইন) মো. রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতার বিভিন্ন বিষয় সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এছাড়াও ডিজাইন শাখার নির্বাহী পরিচালক তরুণ ব্যানার্জী, মো. আমিরুজ্জামান, ভাস্কর কান্তি, এবং গ্রামীণ সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ডেপুটি প্রকল্প পরিচালক মো. ফখরুল আলম, এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম আকন্দ, বোদা উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, মাড়েয়াবামনহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু আনছার মো. রেজাউল করিম শামীম, কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মমিনসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরবর্তীতে রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন পরিদর্শনে আসা প্রকৌশলীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন ও সার্বিক বিষয়ে জানতে চান।

এলজিইডি পঞ্চগড়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুজ্জামান বলেন, করতোয়া নদীর ওপর ১১৮০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭ দশমিক ৩২ মিটার প্রস্থের ইংরেজি ওয়াই আকৃতির ব্রিজ নির্মাণের খসড়া লে আউট দেওয়া হয়েছে। এরপর অ্যালাইনমেন্ট এবং ডিজাইন করা হবে। ডিজাইন শেষে প্রাক্কলনের (ইস্টিমেট) পর টেন্ডার আহবান করা হবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মাড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আনছার মো. রেজাউল করিম শামীম বলেন, নদীটি পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট বড়শশী ও কাজলদিঘি কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নকে বিচ্ছিন্ন করেছে। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি ব্রিজ নির্মাণ হোক। ব্রিজটি হলে বোদা ও দেবীগঞ্জের মানুষের যাতায়াতে সহজ হবে। ব্রিজের অভাবে রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যসহ যানবাহনগুলোকে জেলা শহরের ওপর দিয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাটে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে বোদা উপজেলার ৪৬, দেবীগঞ্জ উপজেলার ১৭, আটোয়ারীর দুই, পঞ্চগড় সদরের এক এবং ঠাকুরগাঁও সদরের তিনজন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৮, নারী ৩০ এবং শিশু ২১ জন।