সৈয়দপুর ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রংপুরে রেডিওথেরাপি বিভাগের আয়োজনে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে কর্মশালা

রাজু আহমেদ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিও থেরাপি বিভাগের আয়োজনে স্তন ক্যান্সার নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২অক্টোবর) রংপুরে লেন্সর গ্যালারীতে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় রেডিওথেরাপি বিভাগ, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে এ কর্মশালা আয়োজন করা হয়।

ডা.আফরোজা খানন লাকীর সভাপতিত্বে সকাল ৯ ঘটিকায় উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা.সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রফেসর অফ সার্জিক্যাল অনকোলজি চেয়ারম্যান ও ডিপার্টমেন্টাল অফ সেন্ট্রাল সার্জারী ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) বিএসএমএমইউ।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন,ডা.বিমল চন্দ্র রায় চেয়ারম্যান ও অদক্ষ এবং প্রধান বিভাগ সার্জারি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ,ডা. মোঃ মাহফুজুর রহমান ভাইস প্রিন্সিপাল এন্ড হেড ডিপার্টমেন্ট মেডিসিন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল,ডা.মোহাম্মদ ইউনুস আলী ডিরেক্টর রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন,হেড ডিভিশন অফ অনকোলজি ডিপার্টমেন্ট অফ ক্লিনিক্যাল বিএসএমএমইউ ডা.সারোয়ার আলমসহ আরো অনেকে।কর্মশালায় উপস্থিত বক্তরা বলেন, বাংলাদেশের নারী-রা যেসব ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তার মধ্যে স্তন ক্যান্সার শীর্ষে রয়েছে।সামাজিক রক্ষণশীলতার কারণে বাংলাদেশের নারীরা যেখানে প্রকাশ্যে স্তন শব্দটি উচ্চারণ পযন্ত করতে চান না,সেখানে শরীরে প্রাথমিক কোন লক্ষণ দেখা গেলেও তারা গোপন রাখেন সেসব, যে কারণে বেশিরভাগ রোগী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন একেবারে শেষ পর্যায়ে।রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অদক্ষ বলেন, স্তন ক্যান্সার শুধু নারীরা নন,পুরুষেরাও আক্রান্ত হতে পারেন। তবে নারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।যেহেতু বাংলাদেশের ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতার অভাব আছে, দেখা যায় যারা চিকিৎসা নিতে আসেন, তাদের বেশির ভাগই আসেন শেষ পর্যায়ে।অধিকাংশ সময় তারা স্তনে একটি চাকা নিয়ে আসেন।অনেকে স্তনের বোটায় ঘা বা ক্ষত অংশে চুলকানির লক্ষণ নিয়ে আসেন।”

“কারো স্তনের বোটা দিয়ে দুধের মত সাদা রস নিঃসৃত হতে থাকে। ব্যথা বা স্তন লাল রং হয়ে গেছে এমন লক্ষণ নিয়ে খুব কমই আসেন।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি আটজনের একজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন। প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার নারী এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে প্রতিরোধের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশই নিরাময়যোগ্য বলে মনে করেন উপস্থিত কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অনুষ্ঠানের কর্মসুচির মধ্যে ছিলো একটি র‍্যালি আলোচনা সভা খেলাধুলা অতিথিদের লটারীর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণী ও দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :




রংপুরে রেডিওথেরাপি বিভাগের আয়োজনে স্তন ক্যান্সার বিষয়ে কর্মশালা

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

রাজু আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেডিও থেরাপি বিভাগের আয়োজনে স্তন ক্যান্সার নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২অক্টোবর) রংপুরে লেন্সর গ্যালারীতে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় রেডিওথেরাপি বিভাগ, রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উদ্যোগে এ কর্মশালা আয়োজন করা হয়।

ডা.আফরোজা খানন লাকীর সভাপতিত্বে সকাল ৯ ঘটিকায় উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা.সাইফ উদ্দিন আহমেদ প্রফেসর অফ সার্জিক্যাল অনকোলজি চেয়ারম্যান ও ডিপার্টমেন্টাল অফ সেন্ট্রাল সার্জারী ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) বিএসএমএমইউ।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন,ডা.বিমল চন্দ্র রায় চেয়ারম্যান ও অদক্ষ এবং প্রধান বিভাগ সার্জারি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ,ডা. মোঃ মাহফুজুর রহমান ভাইস প্রিন্সিপাল এন্ড হেড ডিপার্টমেন্ট মেডিসিন রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল,ডা.মোহাম্মদ ইউনুস আলী ডিরেক্টর রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন,হেড ডিভিশন অফ অনকোলজি ডিপার্টমেন্ট অফ ক্লিনিক্যাল বিএসএমএমইউ ডা.সারোয়ার আলমসহ আরো অনেকে।কর্মশালায় উপস্থিত বক্তরা বলেন, বাংলাদেশের নারী-রা যেসব ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তার মধ্যে স্তন ক্যান্সার শীর্ষে রয়েছে।সামাজিক রক্ষণশীলতার কারণে বাংলাদেশের নারীরা যেখানে প্রকাশ্যে স্তন শব্দটি উচ্চারণ পযন্ত করতে চান না,সেখানে শরীরে প্রাথমিক কোন লক্ষণ দেখা গেলেও তারা গোপন রাখেন সেসব, যে কারণে বেশিরভাগ রোগী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন একেবারে শেষ পর্যায়ে।রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অদক্ষ বলেন, স্তন ক্যান্সার শুধু নারীরা নন,পুরুষেরাও আক্রান্ত হতে পারেন। তবে নারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে।যেহেতু বাংলাদেশের ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতার অভাব আছে, দেখা যায় যারা চিকিৎসা নিতে আসেন, তাদের বেশির ভাগই আসেন শেষ পর্যায়ে।অধিকাংশ সময় তারা স্তনে একটি চাকা নিয়ে আসেন।অনেকে স্তনের বোটায় ঘা বা ক্ষত অংশে চুলকানির লক্ষণ নিয়ে আসেন।”

“কারো স্তনের বোটা দিয়ে দুধের মত সাদা রস নিঃসৃত হতে থাকে। ব্যথা বা স্তন লাল রং হয়ে গেছে এমন লক্ষণ নিয়ে খুব কমই আসেন।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি আটজনের একজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন। প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার নারী এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে প্রতিরোধের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশই নিরাময়যোগ্য বলে মনে করেন উপস্থিত কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অনুষ্ঠানের কর্মসুচির মধ্যে ছিলো একটি র‍্যালি আলোচনা সভা খেলাধুলা অতিথিদের লটারীর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণী ও দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।