সৈয়দপুর ০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে বিজিবি’র শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

আবুল কালাম আজাদ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

এতিম শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বিজিবি (রংপুর ব্যাটালিয়ন)

চোখ২৪.নেট অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টারঃ নীলফামারী জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ৪০ জন এতিম শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) সকালে ডোমার উপজেলার কেতকিবাড়ি ও ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ বিওপি ক্যাম্পের সামনে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিজিবি’র রংপুর ব্যাটালিয়ন ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজিউর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এ বিতরণ অনুষ্ঠনে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় লে. কর্নেল মো. নাজিউর রহমান বলেন, দায়িত্ববোধ থেকে সীমান্ত অঞ্চলে শিক্ষার বিস্তার ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াতে বিজিবি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব। এ ধরণের উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য


নীলফামারীতে বিজিবি’র শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টারঃ নীলফামারী জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ৪০ জন এতিম শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) সকালে ডোমার উপজেলার কেতকিবাড়ি ও ডিমলা উপজেলার কালিগঞ্জ বিওপি ক্যাম্পের সামনে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিজিবি’র রংপুর ব্যাটালিয়ন ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজিউর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে এ বিতরণ অনুষ্ঠনে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় লে. কর্নেল মো. নাজিউর রহমান বলেন, দায়িত্ববোধ থেকে সীমান্ত অঞ্চলে শিক্ষার বিস্তার ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াতে বিজিবি এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব। এ ধরণের উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।