নীলফামারী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:২২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি- সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্টঃ নীলফামারী ও চাঁদপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।
আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সাংসদ হাফিজ ইব্রাহিমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় পরিবারের জন্য টেকসই বাসস্থান এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার বদ্ধপরিকর। ইতোপূর্বে ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ‘আবাসন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র বাংলাদেশে ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন করা। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে ৬৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমিহীন, গৃহহীন, ঠিকানাহীন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নদীভাঙনের ফলে দুর্গত পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য বর্তমানে ‘গুচ্ছগ্রাম-৩ পর্যায় প্রকল্প’ গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ দেশের জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য সুপরিকল্পিত আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে।
সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিল উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি মেডিক্যাল কলেজে ৫০০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান আছে। বর্তমানে আটটি মেডিক্যাল কলেজের (যশোর, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালি ও জামালপুর) সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মাগুরা, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা এবং নওগাঁ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাকি দুটি (চাঁদপুর ও নীলফামারী) মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।






.gif)













